সারাজীবনের অর্থের সর্বোচ্চ নিশ্চয়তাকরণের জন্য বিনিয়োগের একমাত্র ও সেরা সুযোগঃ
"বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ছাত্রাবাস নির্মাণ প্রকল্প"
বিজনেস মানেই রিস্ক গ্রহণ। এজন্যই বিজনেস হালাল। তবে কিছু বিনিয়োগের ঝুঁকি প্রায় শূন্য। ঝুঁকি শুন্য যেমন, তেমন এগুলো প্রায় হাই ইনভেস্টমেন্ট ভ্যালু এবং সময় সাপেক্ষ।
আমাদের নতুন প্রকল্প ছাত্রাবাস/ছাত্রীনিবাস নির্মাণ, আপাতত ২ (দুই) টি যার একটি বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় ও অন্যটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ লোকেশনে হবে।
শিক্ষা নগরী রাজশাহীর শিক্ষার্থীদের আবাসন চাহিদা কখনো কমবে না, ফলে এটি একটি শূন্য ঝুঁকির বিনিয়োগ।
---
✅ লোকেশন:
1️⃣ রুয়েট, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় , আইবিএস, আইবিএ সংলগ্ন এলাকা
2️⃣ কাদিরগঞ্জ – শহরের প্রাণকেন্দ্র যেখানে প্রায় লক্ষের কাছাকাছি শিক্ষার্থীদের চলাফেরা ও বাস
✦ বাজার বিশ্লেষণ:
বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় RU, RUET, IBS, IBA নিয়ে শিক্ষার্থী সংখ্যা: ৪২,০০০+
যেখানে আবাসিক হলের আসন সংখ্যা: ১০,০০০
অতিরিক্ত শিক্ষার্থী: ৩২,০০০+ আশেপাশে মেস থাকলেও মানসম্মত নেই
---
✦ প্রকল্প কাঠামো:
জমির পরিমাণ: ৩-৫ কাঠা
ভবনের উচ্চতা: ৬-১০ তলা
আমরা বর্তমানে জায়গা নিয়েছি ৩ কাঠা ও ৪.২৫ কাঠা। তবে আরো জায়গা নিচ্ছি। ভবন কয়তলা অনুমোদন পাবে এটা নির্ভর করে জায়গার পরিমাণ, সামনের রাস্তার প্রস্থ এবং আরডিএ এর নিয়মের উপর।
✅ ফ্লোর ফাংশন:
ফ্লোর ১: (গ্রাউন্ড ফ্লোর) বাণিজ্যিক স্পেস (দোকান/সুপার শপ/ক্যাফে/অফিস)
ফ্লোর ২-১০: ছাত্রাবাস/ছাত্রীনিবাস
সর্বোচ্চ ফ্লোরঃ ডাইনিং
মোট আসন সংখ্যা: ২০০-৪০০+ (ভবনের জায়গা অনুযায়ী)
---
✅ বিনিয়োগ পরিকল্পনা:
এটি মূলত কোন বিনিয়োগ নয়, আপনি জমি সহ এক বা একাধিক রুম ক্রয় করে নিবেন।
প্রিমিয়াম লোকেশনে প্রতি স্কোয়ারফিট আমাদের নির্ধারিত মূল্য: ৫,৫০০ টাকা (রেজিস্ট্রি খরচ ছাড়া)
ন্যূনতম বিনিয়োগ: ১ টি রুম যা ১/২/৩ সীট বিশিষ্ট হবে৷ কমনস্পেশ সহ প্রতিটি ডাবল সীটের রুম ১৩০-১৫০ স্কোয়ারফিট। সিংগেল গুলো কম, ৩ রুমের গুলো বেশি।
সীট ভাড়া ২০০০-৩০০০ টাকা (সীট কোয়ালিটি ও এলাকা ভেদে)
সাধারণত ৩ সীট বিশিষ্ট রুমে শিক্ষার্থীরা থাকতে চায় না তাই আমরা ১ বা ২ সীটের রুম সংখ্যাই বেশি রাখব।
সম্ভাব্য ভবন নির্মান: ২ বছর
আয় শুরু: ২ বছর পর থেকে
যদিও প্রথম ৬ মাসেই আমাদের কয়েকটি ফ্লোর হয়ে যাবে, কিন্তু যেহেতু ছাত্রাবাস/ ছাত্রীনিবাস তাই কন্সট্রাকশন চলাকালীন শব্দে বিরক্তির কারণে ভাড়া উঠতে চাই বে না , আমরা একেবারে কন্সট্রাকশন কাজ শেষ করে তারপর রেন্টাল সার্ভিস শুরু করব। কিন্তু যদি এর আগেই শুরু হয় রেন্টাল সার্ভিস, তাহলে স্টেক হোল্ডার রা ভাড়া পাবেন।
পেমেন্ট সিস্টেম: ৬০% অগ্রিম এবং বাকী ৪০% মোট ১২ কিস্তিতে। কিস্তি মিস করার কারণে নির্মাণ সামগ্রীর খরচ বেড়ে গেলে, যেই শেয়ার হোল্ডার দায়ী উনি এক্সট্রা পেমেন্ট করবেন জরিমানা হিসেবে।
✅ মালিকানা ট্রান্সফার:
২৪ মাস পর মূলধন উত্তোলন বা প্রফিট সহকারে মালিকানা বিক্রয়ের সুযোগ থাকবে। অর্থাৎ যদি একজন শেয়ার হোল্ডার চান, তিনি তার অংশ বর্ধিত প্রফিটে অন্য কারোর কাছে বিক্রয় করে দিতে পারবেন। রয়ালিটি বা উদ্যোক্তা ফীস হিসেবে আল আরিবাহ লাভ্যাংশের ২০% নিবে।
অর্থাৎ যদি ১৩০ স্কোয়ারফিট রুম কেউ প্রতি স্কোয়ারফিট ৫৫০০ হিসেবে, ৭,১৫,০০০ টাকায় কিনে, পরবর্তীতে সে যদি তা ৬০০০ টাকা হিসেবে কখনও ৭,৮০,০০০ টাকায় বিক্রয় করে, লাভ = ৭,৮০,০০০-৭,১৫,০০০ = ৬৫,০০০ টাকার ২০% = ১৩,০০০ টাকা রয়ালিটি ফীস প্রদান করতে হবে।
তবে প্রতি মাসে রুমের ক্রেতা শেয়ার হোল্ডার যে ভাড়া উত্তোলন করবে তা একান্ত তার, আল আরিবাহ এই ক্ষেত্রে কোন ফীস নিবে না।
---
★প্রত্যাশিত মুনাফা:
★ আবাসন খাতের আয়:
২০০ সীট × ২,০০০ টাকা = ৪,০০,০০০ টাকা
২০০ সীট × ২,৫০০ টাকা = ৫,০০,০০০ টাকা
⋆ ফুড সার্ভিস আয়:
ডাইনিং থেকে গড় আয়: ১,০০,০০০ টাকা (শিক্ষার্থী সংখ্যার উপর নির্ভরশীল)
⋆ বানিজ্যিক শপ থেকে আয়। (অপশনাল)
⋆⋆ মোট আয়: ৫,০০,০০০ – ৬,০০,০০০ টাকা / মাস (পরিচালন ব্যয় বাদে)
প্রতি শেয়ারের গড় মাসিক আয়: ৪,৫০০ – ৫,৫০০ টাকা
---
✅ কেন বিনিয়োগ করবেন?
✔️ শূন্য (0) ঝুঁকি: শিক্ষার্থীদের বাসস্থান চাহিদা কখনো কমবে না, এছাড়াও যেহেতু জমি সহ ফ্লোরের মালিকানা রেজিস্ট্রি দেওয়া হবে, সুতরাং মুল বিনিয়োগ কমার বা হারানোর কোন সুযোগ নেই (একান্ত প্রাকৃতিক দুর্যোগ, ভুমিকম্প না হলে)
✔️ নিশ্চিত মাসিক আয়: প্যাসিভ ইনকামের স্থায়ী উৎস
✔️ এসেট ভ্যালু হ্রাসের শূন্য সম্ভাবনা: জমির দাম শুধু বাড়বে
✔️ ফ্লেক্সিবল মালিকানা ট্রান্সফার: প্রথম ২ বছর টাকা রাখতেই হবে৷ এরপর যেকোন সময় ১৫ দিনের পূর্ব নোটিশে মালিকানা বিক্রয়ের সুযোগ
✔️ ভবিষ্যৎ প্রজন্মও সুবিধা ভোগ করবে
✔️ প্রতি বছর সীট ভাড়া বৃদ্ধি
---
✔️✔️ পেমেন্ট সিস্টেম:
জমির মূল্য এককালীন পরিশোধযোগ্য
কিস্তিতে পরিশোধের সুযোগ (সর্বোচ্চ ১২ কিস্তি)
♦ যোগাযোগ করুন: [০১৯৫৮১৫৮৫৪৮] আপাতত কেবল আগ্রহ জানিয়ে গুগল ডক পূরণ করে রাখতে পারেন।
---
** বিশেষ শর্ত:
প্রজেক্টের সময়কাল: ন্যূনতম ২ বছর, এরপর থেকে রিটার্ন আসা শুরু হবে। প্রথম ২ বছর অর্থাৎ ভবন নির্মান সম্পন্ন পর্যন্ত কোন রিটার্ন আসবে না।
অস্থায়ী বিনিয়োগ: ন্যূনতম ৩ বছরের জন্য ৪ লক্ষ টাকা। অর্থাৎ ইনারা ছাত্রাবাস/ ছাত্রীনিবাসের মালিকানা প্রাপ্ত হবে না। তবে নির্মাণ খাতে বিনিয়োগের জন্য মুরাবাহা সিস্টেমে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে।
স্থায়ী বিনিয়োগ: রুম কিনে নেওয়া, আজীবন উক্ত রুমের ভাড়া মালিক পাবে৷
প্রজেক্টের বর্তমান অবস্থাঃ
১০০ টি রুমের মধ্যে ৪ টি রুম বুকিং সম্পন্ন।