ওয়াদা ফুডস ফ্যাক্টরির শেয়ার বিক্রয় ঘোষণা
ওয়াদা ফুডস ফ্যাক্টরির নিজস্ব জায়গায় কারখানা নির্মাণের জন্য জমি ক্রয়, শেড নির্মাণ, নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থা (পিকআপ ক্রয়), প্যাকেজিং ফ্যাক্টরি সেটআপ এবং উৎপাদন পরিধি বৃদ্ধির লক্ষ্যে আপাতত ৩৫% শেয়ার মুশারাকা ব্যবসায়িক চুক্তির অধীনে বিক্রয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শর্তাবলী:
১) প্রতি ১% শেয়ারের মূল্য:
প্রাথমিক ১০ জন শেয়ার ক্রেতার জন্য প্রতি ১% শেয়ারের মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ১,০৫,০০০ টাকা।
টাইম ভ্যালু অব মানি বিবেচনায় ভবিষ্যতে মূল্য বৃদ্ধি পেতে পারে।
২) ব্যবসায়িক মডেল:
ব্যবসাটি মুশারাকা পদ্ধতিতে পরিচালিত হবে।
বিনিয়োগকারীরা সফটওয়্যারের মাধ্যমে সেলস, পারচেজ ও প্রফিট-লস হিসাব যেকোনো সময় দেখতে পারবেন।
প্রথম ২ বছর কেউ শেয়ার বাতিল করতে পারবেন না। পরবর্তী সময়ে শেয়ার ক্যান্সেল করলে টাইম ভ্যালু বিবেচনায় লভ্যাংশ/লসসহ বিনিয়োগ ফেরত দেওয়া হবে।
প্রথম ২ বছর শেষে চূড়ান্ত বিনিয়োগকারীদের নিয়ে লিমিটেড কোম্পানি গঠন করা হবে।
৩) আইনগত নিরাপত্তা:
বিনিয়োগকারীরা চুক্তির বিপরীতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন।
সকল লেনদেন হবে ওয়াদা ফুডসের নির্ধারিত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে।
৪) অতিরিক্ত তহবিল প্রয়োজন হলে:
প্রয়োজন হলে শেয়ার মূল্য ফিক্সড রেখে শেয়ারের পরিমাণ হ্রাস করা হবে।
প্রতি ১% শেয়ার বিনিয়োগের লাভজনকতা:
✔ রোডসাইড ১০ কাঠা জমির ১% রেজিস্ট্রি মালিকানা✔ নতুন শেডসহ পূর্বের মেশিনারি ও নতুন সেটআপের ১% মালিকানা✔ ওয়াদা ব্র্যান্ডের ১% মালিকানা (প্রায় ৩০টি পণ্য অন্তর্ভুক্ত হবে)✔ ওয়াদা ফুডস পণ্যে বিশেষ ছাড়✔ প্রতি মাসে অর্জিত লভ্যাংশের ১% অংশগ্রহণ✔ লস হলে বিনিয়োগের ১% অনুযায়ী বহন করতে হবে
প্রফিট অনুমান:
লাভ নয়, বরং এসেট/প্রপার্টিজ ও ব্র্যান্ড ভ্যালু বৃদ্ধিকে প্রধান লক্ষ্য হিসেবে ধরা হয়েছে।
অপারেশনাল কার্যক্রম শুরুর পরই প্রকৃত লাভের পরিমাণ নির্ধারণ সম্ভব হবে।
সম্পদমূল্যের সুরক্ষা এবং ব্র্যান্ডের প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করার জন্য ১০০% শেয়ার বিক্রয়ের পরও প্রয়োজনে খণ্ডকালীন বিনিয়োগ গ্রহণ করা হবে।
শেয়ার কেনার জন্য আদর্শ বিনিয়োগকারী:
✅ যারা লং-টার্ম বিজনেস চিন্তা করছেন এবং এসেট তৈরি করতে চান।
✅ অস্থায়ী বা স্বল্প-মেয়াদী লাভের পরিবর্তে স্থায়ী বিনিয়োগে আগ্রহী।
✅ যারা মুশারাকা পদ্ধতির মাধ্যমে হালাল বিনিয়োগ করতে চান।
লাভ-লোকসানের হিসাব শুরুর সময়:
ফ্যাক্টরি নির্মাণে আনুমানিক সময় ৬ মাস এবং সম্পূর্ণ উৎপাদনে আসতে আরও ৬ মাস।
২০২৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যেই অপারেশন শুরু করে লাভ-লোকসানের হিসাব গণনা শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।
রিস্ক ফ্যাক্টর:
প্রধান চ্যালেঞ্জ কাঁচামাল সংগ্রহ ও বিক্রয় চ্যানেল নিশ্চিত করা।
পূর্বে আমরা অন্য ব্র্যান্ডের অধীনে ২ বার রপ্তানি করেছি। তবে অর্থের অভাবে কাঁচামাল স্টক করতে না পারায় বিগত বছর কিছু চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছি।
নতুন বিনিয়োগের মাধ্যমে কাঁচামালের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করে ব্যবসার ধারাবাহিকতা বজায় রাখাই মূল লক্ষ্য।
যারা আগ্রহী, তারা দ্রুত শেয়ার ক্রয়ের জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
???? যোগাযোগঃ ০১৯৫৮১৫৮৫৪৮